তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে গিটারের সুরে দেশের জনপ্রিয় শিল্পীদের গানে সঙ্গ দিয়েছেন গিটারবাদক রাসেল খান। দীর্ঘ সংগীতজীবনে মঞ্চে বহু শিল্পীর সঙ্গে বাজিয়েছেন তিনি।
সেই পরিচিত সংগীতশিল্পী আর নেই। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানীতে বড় বোনের বাসায় মারা গেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। রাসেল খানের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যন্ত্রসংগীতশিল্পী আজমীর বাবু।
জানা গেছে, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন রাসেল খান। বৃহস্পতিবার সকালে বড় বোনের বাসার বাথরুমে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে যান তিনি। পরে চিকিৎসক এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকের ধারণা, স্ট্রোকের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
গিটারবাদক হিসেবে দেশের সংগীতাঙ্গনে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ ছিলেন রাসেল খান। দেশের প্রথম সারির প্রায় সব সংগীতশিল্পীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল তার। শিল্পীদের গানের সঙ্গে গিটারে সুর তোলার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে নিজেও গান গাইতেন তিনি। গত ১৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জের একটি অনুষ্ঠানে গিটার বাজিয়েছিলেন রাসেল খান। সেটিই ছিল মঞ্চে তার শেষ পরিবেশনা।
তার মৃত্যুর খবরে সংগীতাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সহকর্মী, শিল্পী ও শুভানুধ্যায়ীরা শোক প্রকাশ করছেন। রাসেলের সঙ্গে কাজের স্মৃতি ভাগ করে নিয়ে তাকে স্মরণ করছেন অনেকে।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটায় বনানীতে বড় বোনের বাসার পাশের মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিক্রমপুরে গ্রামের বাড়িতে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন রাসেল খান।
সেই পরিচিত সংগীতশিল্পী আর নেই। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানীতে বড় বোনের বাসায় মারা গেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। রাসেল খানের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যন্ত্রসংগীতশিল্পী আজমীর বাবু।
জানা গেছে, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন রাসেল খান। বৃহস্পতিবার সকালে বড় বোনের বাসার বাথরুমে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে যান তিনি। পরে চিকিৎসক এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকের ধারণা, স্ট্রোকের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
গিটারবাদক হিসেবে দেশের সংগীতাঙ্গনে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ ছিলেন রাসেল খান। দেশের প্রথম সারির প্রায় সব সংগীতশিল্পীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল তার। শিল্পীদের গানের সঙ্গে গিটারে সুর তোলার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে নিজেও গান গাইতেন তিনি। গত ১৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জের একটি অনুষ্ঠানে গিটার বাজিয়েছিলেন রাসেল খান। সেটিই ছিল মঞ্চে তার শেষ পরিবেশনা।
তার মৃত্যুর খবরে সংগীতাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সহকর্মী, শিল্পী ও শুভানুধ্যায়ীরা শোক প্রকাশ করছেন। রাসেলের সঙ্গে কাজের স্মৃতি ভাগ করে নিয়ে তাকে স্মরণ করছেন অনেকে।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটায় বনানীতে বড় বোনের বাসার পাশের মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিক্রমপুরে গ্রামের বাড়িতে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন রাসেল খান।