ভারতের গুজরাটের রাজ্যের গান্ধীনগরে গরু জবাইয়ের একটি মামলায় ওয়াসিম শাহাবুদ্দিন বাবু কুরেশি, মোহাম্মদ রফিক মোহাম্মদ হানিফ আলিভাই কুরেশি এবং আশফাক ওরফে সালমান আল্লারাখা আবদুল বেহলিমকে নামের তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজ্যের আদালত।
একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৩ লাখ করে মোট ৯ লাখ রুমি জরিমানাও করা হয়েছে। রায়ে প্রাচীন সংস্কৃত ধর্মগ্রন্থ মনুস্মৃতির শ্লোক উদ্ধৃত করে গরুকে ‘বিশ্বজগতের মাতা’ ও সর্বজনীন কল্যাণের ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেন বিচারক।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গান্ধীনগর জেলার জামলা নামক গ্রামের একটি ঘটনায় এ রায় দেয়া হয়েছে বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় পুলিশ ২৭৭ কেজি গরুর মাংস প্রক্রিয়াজাত করার সময় অভিযুক্তদের আটক করেছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে জামলা গ্রামের ধনকনিবাস এলাকার একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালায় কালোল থানার পুলিশ।
নির্দিষ্ট সূত্রে তথ্য পেয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে পুলিশ দেখতে পায়, কয়েকজন পশু জবাইয়ের কাজে যুক্ত। ঘটনাস্থল থেকে ধারালো অস্ত্র, ওজন মাপার যন্ত্র এবং পণ্য পরিবহনের কয়েকটি যানবাহন জব্দ করা হয়। সেখানে পাওয়া জীবিত গবাদিপশুগুলো উদ্ধার করে স্থানীয় একটি গোশালায় নিরাপদে নেয়া হয়।
মামলার বিচারক সেশনস জজ বি আর রাজপুত রায়ের শুরুতে বৈদিক শ্লোক ও ধর্মীয় গ্রন্থের বাণী উদ্ধৃত করেন। সমাজে গবাদিপশুর প্রতি গভীর সাংস্কৃতিক শ্রদ্ধার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি মনুস্মৃতির শ্লোক উল্লেখ করেন। এসব শ্লোকে গরুকে বিশ্বজগতের মাতা এবং সর্বজনীন কল্যাণের উৎস হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, গবাদিপশু রক্ষা করা কর্তব্য, সহমর্মিতা এবং পরম সত্য প্রতিষ্ঠার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। রায়ে ‘কামধেনু’ নামের পৌরাণিক দেবগাভির পবিত্র উৎপত্তি সম্পর্কে বর্ণনাও উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি সব প্রাণের সুরক্ষা এবং ন্যায়সংগত আইন মেনে চলাকে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজের মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়।
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বিভিন্ন শারীরিক আলামত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য উপস্থাপন করেন। এসব প্রমাণ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে সমর্থন করে বলে জানায় রাষ্ট্রপক্ষ।
সহকারী সরকারি কৌঁসুলি জিগনেশ এইচ জোশি যুক্তি দেন, প্রতিষ্ঠিত আইন উপেক্ষা করে গবাদিপশু জবাইয়ের মাধ্যমে অভিযুক্তরা গুরুতর অপরাধ করেছেন। সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ন করতে পারে- এমন অপরাধ ঠেকাতে কঠোর আইনি শাস্তি জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শেষ পর্যন্ত গুজরাট প্রাণী সংরক্ষণ আইনে অভিযুক্ত ওয়াসিম শাহাবুদ্দিন বাবু কুরেশি, মোহাম্মদ রফিক মোহাম্মদ হানিফ আলিভাই কুরেশি এবং আশফাক ওরফে সালমান আল্লারাখা আবদুল বেহলিমকে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত। তাদের প্রত্যেককে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ রুপি করে জরিমানা করা হয়।
গুজরাটের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংভি এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, গুজরাটে যারা গো-হত্যার মতো অপরাধ করবে, আইন তাদের কখনোই ছাড় দেবে না। গো-মাতাকে রক্ষা করা গুজরাটের অটল সংকল্প। সঠিক তদন্ত পরিচালনা এবং জোরালো প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য গান্ধীনগর পুলিশ ও সরকারি পক্ষকে অভিনন্দন।
একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৩ লাখ করে মোট ৯ লাখ রুমি জরিমানাও করা হয়েছে। রায়ে প্রাচীন সংস্কৃত ধর্মগ্রন্থ মনুস্মৃতির শ্লোক উদ্ধৃত করে গরুকে ‘বিশ্বজগতের মাতা’ ও সর্বজনীন কল্যাণের ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেন বিচারক।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গান্ধীনগর জেলার জামলা নামক গ্রামের একটি ঘটনায় এ রায় দেয়া হয়েছে বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় পুলিশ ২৭৭ কেজি গরুর মাংস প্রক্রিয়াজাত করার সময় অভিযুক্তদের আটক করেছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে জামলা গ্রামের ধনকনিবাস এলাকার একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালায় কালোল থানার পুলিশ।
নির্দিষ্ট সূত্রে তথ্য পেয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে পুলিশ দেখতে পায়, কয়েকজন পশু জবাইয়ের কাজে যুক্ত। ঘটনাস্থল থেকে ধারালো অস্ত্র, ওজন মাপার যন্ত্র এবং পণ্য পরিবহনের কয়েকটি যানবাহন জব্দ করা হয়। সেখানে পাওয়া জীবিত গবাদিপশুগুলো উদ্ধার করে স্থানীয় একটি গোশালায় নিরাপদে নেয়া হয়।
মামলার বিচারক সেশনস জজ বি আর রাজপুত রায়ের শুরুতে বৈদিক শ্লোক ও ধর্মীয় গ্রন্থের বাণী উদ্ধৃত করেন। সমাজে গবাদিপশুর প্রতি গভীর সাংস্কৃতিক শ্রদ্ধার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি মনুস্মৃতির শ্লোক উল্লেখ করেন। এসব শ্লোকে গরুকে বিশ্বজগতের মাতা এবং সর্বজনীন কল্যাণের উৎস হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, গবাদিপশু রক্ষা করা কর্তব্য, সহমর্মিতা এবং পরম সত্য প্রতিষ্ঠার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। রায়ে ‘কামধেনু’ নামের পৌরাণিক দেবগাভির পবিত্র উৎপত্তি সম্পর্কে বর্ণনাও উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি সব প্রাণের সুরক্ষা এবং ন্যায়সংগত আইন মেনে চলাকে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজের মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়।
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বিভিন্ন শারীরিক আলামত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য উপস্থাপন করেন। এসব প্রমাণ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে সমর্থন করে বলে জানায় রাষ্ট্রপক্ষ।
সহকারী সরকারি কৌঁসুলি জিগনেশ এইচ জোশি যুক্তি দেন, প্রতিষ্ঠিত আইন উপেক্ষা করে গবাদিপশু জবাইয়ের মাধ্যমে অভিযুক্তরা গুরুতর অপরাধ করেছেন। সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ন করতে পারে- এমন অপরাধ ঠেকাতে কঠোর আইনি শাস্তি জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শেষ পর্যন্ত গুজরাট প্রাণী সংরক্ষণ আইনে অভিযুক্ত ওয়াসিম শাহাবুদ্দিন বাবু কুরেশি, মোহাম্মদ রফিক মোহাম্মদ হানিফ আলিভাই কুরেশি এবং আশফাক ওরফে সালমান আল্লারাখা আবদুল বেহলিমকে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত। তাদের প্রত্যেককে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ রুপি করে জরিমানা করা হয়।
গুজরাটের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংভি এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, গুজরাটে যারা গো-হত্যার মতো অপরাধ করবে, আইন তাদের কখনোই ছাড় দেবে না। গো-মাতাকে রক্ষা করা গুজরাটের অটল সংকল্প। সঠিক তদন্ত পরিচালনা এবং জোরালো প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য গান্ধীনগর পুলিশ ও সরকারি পক্ষকে অভিনন্দন।