মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম একটি ‘উদীয়মান’ মহাকাশ শক্তি হয়ে উঠছে ইরান। এমনই তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ)।

বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) পেন্টাগনের প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে আনাদোলু এজেন্সি এসব তথ্য জানায়।

ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি;র সময় পারস্য দেশটি তাদের ভূমিভিত্তিক জ্যামিং ব্যবস্থার মাধ্যমে স্যাটেলাইটভিত্তিক জিপিএস সংকেত ব্যাহত করে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সক্ষমতার বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিয়েছিল। সামরিক সক্ষমতা জোরদার, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জাতীয় মর্যাদা বাড়ানোর লক্ষ্যে তেহরান সামরিক ও বেসামরিক মহাকাশ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের তথ্যানুযায়ী, ইরানের প্রায় এক ডজন সক্রিয় কৃত্রিম উপগ্রহ রয়েছে। তাদের গোয়েন্দা ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ ক্ষমতা বাড়াতে চীন ও রাশিয়া থেকে স্যাটেলাইট সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের অ্যারোস্পেস বিশেষজ্ঞ টড হ্যারিসন বলেন, ‘ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে, তবে তাদের ওপর আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব নেই।’ তবে ইরানের বিরুদ্ধে ‘মহাকাশ শ্রেষ্ঠত্ব’ অর্জনের দাবি করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরান তাদের নেভিগেশন ও গাইডেন্স সিস্টেমগুলো ইলেক্ট্রনিক হামলা থেকে সুরক্ষায় প্রতিরোধী ব্যবস্থা আরও জোরদারে কাজ করছে বলে প্রতিবেদনে জানায় ডিআইএ।