সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও ঢাকার সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে ৮৮টি পোশাক কারখানা চালু রয়েছে। এসব কারখানায় শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা। পুরো শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকে সাভারের হেমায়েতপুর, সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিভিন্ন স্থানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন শিল্প পুলিশের সদস্যরা।
শিল্প পুলিশ জানায়, স্বাভাবিক সময়েও সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কিছু কারখানা খোলা থাকে। বিশেষ করে জরুরি শিপমেন্ট থাকলে সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলো উৎপাদন চালু রাখে। একইভাবে শুক্রবারও ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। এসব কারখানায় সকাল থেকে শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার তথ্য পাওয়া যায়নি।
শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সাধারণত শুক্রবার ছুটির দিনে কারখানা বন্ধ থাকে। তবে জরুরি প্রয়োজন থাকলে কিছু কারখানা চালু রাখা হয়। শুক্রবারও এ ধরনের ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। পুরো এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে।
শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, শুক্রবার সকাল থেকে পুরো শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক। জরুরি প্রয়োজন রয়েছে এমন ৮৮টি পোশাক কারখানা চালু রয়েছে। এসব কারখানায় শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, স্বাভাবিক সময়েও নানা জরুরি প্রয়োজনে কিছু কারখানা ছুটির দিনে চালু থাকে। শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। শিল্পাঞ্চলে গতকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। পুরোদমে কাজ শুরু হলেও পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকবে বলে তাদের প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এখন মজুরি নিয়ে শ্রমিকদের দাবি ও অসন্তোষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় শ্রমিকদের আপাতত কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন সচল রাখা প্রয়োজন।