দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) রেলওয়ে স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। গতকাল শনিবার থেকে ট্রেন দুটি বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে থামতে শুরু করেছে।
এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান পরিচালন সুপারিনটেনডেন্ট খালিদুন নেছার স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসকের স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
যাত্রাবিরতির জন্য নির্ধারিত ট্রেন দুটি হলো: চিলাহাটি থেকে রাজশাহীগামী ৭৩৪ নম্বর তিতুমীর এক্সপ্রেস এবং খুলনা থেকে রাজশাহীগামী ৭৬১ নম্বর সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস। মূলত রাতে রাজশাহীতে প্রবেশের সময় ট্রেন দুটি বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে থামবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২১ জুলাই রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত এবং ৬ আগস্ট ঢাকার রেলভবনের অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে বিদ্যমান অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করেই ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতি কার্যকর করা হবে।
তবে ট্রেনে থাকা যাত্রী, স্টেশনে নামা যাত্রী কিংবা দায়িত্ব পালনরত রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে অথবা যাত্রাবিরতির কার্যক্রম আশানুরূপ না হলে যেকোনো সময় এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে রাতে স্টেশনে নামার ক্ষেত্রে যাত্রীদের নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে যাতে কোনো বিনা টিকিটের যাত্রী নামতে না পারেন, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। রাতের যাত্রী ও রেলকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, রাতের অন্যান্য ট্রেনের সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত শাটল বাস চালুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ফরিদ আহমেদ বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাতে রাজশাহীতে প্রবেশের সময় ট্রেন দুটি বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে থামবে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি ফলপ্রসূ না হলে এ সুবিধা প্রত্যাহারও করা হতে পারে।
এর আগে গত ২১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফুরকান আহমেদের ওপর ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) হামলা ও হেনস্তা করেছেন-এমন অভিযোগের প্রতিবাদে চার দফা দাবিতে রেললাইন অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশন পুনরায় সচল করা। ওই আন্দোলনের পর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে প্রাথমিক ভাবে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান পরিচালন সুপারিনটেনডেন্ট খালিদুন নেছার স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসকের স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
যাত্রাবিরতির জন্য নির্ধারিত ট্রেন দুটি হলো: চিলাহাটি থেকে রাজশাহীগামী ৭৩৪ নম্বর তিতুমীর এক্সপ্রেস এবং খুলনা থেকে রাজশাহীগামী ৭৬১ নম্বর সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস। মূলত রাতে রাজশাহীতে প্রবেশের সময় ট্রেন দুটি বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে থামবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২১ জুলাই রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত এবং ৬ আগস্ট ঢাকার রেলভবনের অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে বিদ্যমান অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করেই ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতি কার্যকর করা হবে।
তবে ট্রেনে থাকা যাত্রী, স্টেশনে নামা যাত্রী কিংবা দায়িত্ব পালনরত রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে অথবা যাত্রাবিরতির কার্যক্রম আশানুরূপ না হলে যেকোনো সময় এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে রাতে স্টেশনে নামার ক্ষেত্রে যাত্রীদের নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে যাতে কোনো বিনা টিকিটের যাত্রী নামতে না পারেন, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। রাতের যাত্রী ও রেলকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, রাতের অন্যান্য ট্রেনের সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত শাটল বাস চালুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ফরিদ আহমেদ বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাতে রাজশাহীতে প্রবেশের সময় ট্রেন দুটি বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে থামবে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি ফলপ্রসূ না হলে এ সুবিধা প্রত্যাহারও করা হতে পারে।
এর আগে গত ২১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফুরকান আহমেদের ওপর ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) হামলা ও হেনস্তা করেছেন-এমন অভিযোগের প্রতিবাদে চার দফা দাবিতে রেললাইন অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশন পুনরায় সচল করা। ওই আন্দোলনের পর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে প্রাথমিক ভাবে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।