সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট খেলে বাংলাদেশ। শেষ দিনে জয়ের জন্য ৭ উইকেট নিতে হতো টাইগারদের, শেষ পর্যন্ত সেটা না পারায় ম্যাচ শেষ হয় অমিমাংসিতভাবে। ওই টেস্টের দুই সপ্তাহ পর বাংলাদেশের হেড কোচ ফিল সিমন্স বলছেন, তার দলের কৌশলে ভুল ছিল।
চতুর্থ ইনিংসে ৪৭৯ রানের বিশ্বরেকর্ডের চ্যালেঞ্জে না ছুটে সাড়ে চার সেশন টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ ছিল আফগানিস্তানের। ১৪২ ওভার ব্যাট করে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান তুলে ড্র করে ফেলল রহমত শাহ’র দল। ওই ম্যাচে বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটারদের আরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা যেত কিনা তা নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছিল।
সে প্রসঙ্গে সিমন্স বলেন, ‘আমার মনে হয় না, ব্যাটাররা ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলেননি। বরং তারা ঠিক সেভাবেই খেলেছেন, যেভাবে আমরা চেয়েছিলাম। সমস্যা হলো, উইকেট আমাদের ধারণার চেয়ে ভালো হয়ে গিয়েছিল। বিশেষ করে শেষ দিনে উইকেট যতটা ভালো ছিল, আমরা তা ভাবিনি।’শেষ দিকে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে নিজেদের ভুল। নাঈম হাসানের ব্যর্থতায় পরপর দুই বলে রানআউট হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যান ইয়ামিন ও কাইস। এরপর ইয়ামিনের স্টাম্পে বল লাগলেও বেলস না পড়ায় বেঁচে যান তিনি। কাইসের ক্যাচও নিতে পারেননি হাসান মাহমুদ। শেষ ঘণ্টায় এমন একাধিক সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
শেষ সেশনে ৬ উইকেটে ২৬৫ রান নিয়ে খেলতে নেমেছিল আফগানিস্তান। সেদিকুল্লাহ শুরুতে ঝুঁকি না নিয়ে সময় কাটানোর চেষ্টা করেন, অন্য প্রান্তে তাকে সঙ্গ দেন ইয়ামিন। ৭০ রানে থাকা সেদিকুল্লাহকে তাইজুলের বলে আউট করার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি লিটন দাস। পরে অবশ্য তাইজুলই ফিরিয়ে দেন সেঞ্চুরিয়ানকে। কিন্তু ততক্ষণে ম্যাচ বাঁচানোর মতো ভিত গড়ে ফেলেছে আফগানিস্তান।
এসব ভুলের কথা বললেও টেস্টটি জেতা উচিত ছিল বলে মনে করেন সিমন্স, ‘শেষ পর্যন্ত আমাদের টেস্টটি জেতা উচিত ছিল। আমরা একটি রানআউটের সুযোগ কাজে লাগাতে পারিনি, কয়েকটি ক্যাচও ফেলেছি। তাই দিন শেষে ম্যাচটি জেতা উচিত ছিল আমাদের। তবে আমি মনে করি না, আমরা ভুল কৌশলে খেলেছিলাম।’
চতুর্থ ইনিংসে ৪৭৯ রানের বিশ্বরেকর্ডের চ্যালেঞ্জে না ছুটে সাড়ে চার সেশন টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ ছিল আফগানিস্তানের। ১৪২ ওভার ব্যাট করে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান তুলে ড্র করে ফেলল রহমত শাহ’র দল। ওই ম্যাচে বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটারদের আরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা যেত কিনা তা নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছিল।
সে প্রসঙ্গে সিমন্স বলেন, ‘আমার মনে হয় না, ব্যাটাররা ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলেননি। বরং তারা ঠিক সেভাবেই খেলেছেন, যেভাবে আমরা চেয়েছিলাম। সমস্যা হলো, উইকেট আমাদের ধারণার চেয়ে ভালো হয়ে গিয়েছিল। বিশেষ করে শেষ দিনে উইকেট যতটা ভালো ছিল, আমরা তা ভাবিনি।’শেষ দিকে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে নিজেদের ভুল। নাঈম হাসানের ব্যর্থতায় পরপর দুই বলে রানআউট হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যান ইয়ামিন ও কাইস। এরপর ইয়ামিনের স্টাম্পে বল লাগলেও বেলস না পড়ায় বেঁচে যান তিনি। কাইসের ক্যাচও নিতে পারেননি হাসান মাহমুদ। শেষ ঘণ্টায় এমন একাধিক সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
শেষ সেশনে ৬ উইকেটে ২৬৫ রান নিয়ে খেলতে নেমেছিল আফগানিস্তান। সেদিকুল্লাহ শুরুতে ঝুঁকি না নিয়ে সময় কাটানোর চেষ্টা করেন, অন্য প্রান্তে তাকে সঙ্গ দেন ইয়ামিন। ৭০ রানে থাকা সেদিকুল্লাহকে তাইজুলের বলে আউট করার সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি লিটন দাস। পরে অবশ্য তাইজুলই ফিরিয়ে দেন সেঞ্চুরিয়ানকে। কিন্তু ততক্ষণে ম্যাচ বাঁচানোর মতো ভিত গড়ে ফেলেছে আফগানিস্তান।
এসব ভুলের কথা বললেও টেস্টটি জেতা উচিত ছিল বলে মনে করেন সিমন্স, ‘শেষ পর্যন্ত আমাদের টেস্টটি জেতা উচিত ছিল। আমরা একটি রানআউটের সুযোগ কাজে লাগাতে পারিনি, কয়েকটি ক্যাচও ফেলেছি। তাই দিন শেষে ম্যাচটি জেতা উচিত ছিল আমাদের। তবে আমি মনে করি না, আমরা ভুল কৌশলে খেলেছিলাম।’