নবীজির জীবনে রয়েছে মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। তার দৈহিক অবয়ব আলোচনা করার মাঝেও রয়েছে মানবজাতির জন্য কল্যাণ ও রহমত।
সাহাবায়ে কেরাম রাসুল (সা.)-এর ইলম ও মারেফতের পাশাপাশি তার বাহ্যিক সৌন্দর্যের বর্ণনাও উম্মতের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।
হজরত আলী (রা.) যখনই নবীজির অবয়ব বর্ণনা করতেন, তখন বলতেন, ‘রাসুল (সা.) অতি দীর্ঘদেহী ছিলেন না, আবার বেঁটেও ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন মধ্যম গড়নের। তার মাথার চুল বেশি কোঁকড়ানো ছিল না এবং সম্পূর্ণ সোজাও ছিল না; বরং সামান্য কোঁকড়ানো ভাব ছিল। তার দেহ মোবারক তত মোটা ছিল না। আর চেহারা মোবারক সম্পূর্ণ গোলাকার ছিল না, তবে কিছুটা গোলাকার ছিল।
গায়ের রং ছিল লাল-সাদা সংমিশ্রিত। চোখের বর্ণ ছিল কালো এবং পলক ছিল লম্বা ও চিকন। হাড়ের জোড়াগুলো ছিল মোটা। পুরো দেহ মোবারক ছিল পশমহীন, অবশ্য পশমের চিকন একটি রেখা বুক থেকে নাভি পর্যন্ত লম্বা ছিল। দুই হাত ও দুই পায়ের তালু ছিল মাংসে পরিপূর্ণ।
যখন তিনি হাঁটতেন, তখন পা পূর্ণভাবে উঠিয়ে মাটিতে রাখতেন, যেন তিনি কোনো উঁচু জায়গা থেকে নিচের দিকে নামছেন। যখন তিনি কারও দিকে তাকাতেন, পরিপূর্ণভাবে মনোনিবেশ করতেন। উভয় কাঁধের মাঝখানে ছিল মোহরে নবুওয়াত।
তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে অধিক দানশীল, সবচেয়ে বেশি সত্যবাদী। তিনি ছিলেন সবচেয়ে কোমল স্বভাবের এবং বংশের দিক থেকে সম্ভ্রান্ত ও মর্যাদার অধিকারী।
যে ব্যক্তি তাকে হঠাৎ দেখত, সে ভয় পেয়ে যেত (গাম্ভীর্যের কারণে)। পক্ষান্তরে, যে ব্যক্তি পরিচিত হয়ে তার সঙ্গে মিশত, সে তাকে অনেক ভালোবেসে ফেলত। তার সম্পর্কে আলোচনাকারী এ কথা বলত যে, আমি তার আগে ও পরে তার মতো সৌন্দর্যময় কাউকে দেখিনি।’ (শামায়েলে তিরমিজি: ৭)
লেখক: জামিয়া মিফতাহুল উলুম, নেত্রকোনা
সাহাবায়ে কেরাম রাসুল (সা.)-এর ইলম ও মারেফতের পাশাপাশি তার বাহ্যিক সৌন্দর্যের বর্ণনাও উম্মতের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।
হজরত আলী (রা.) যখনই নবীজির অবয়ব বর্ণনা করতেন, তখন বলতেন, ‘রাসুল (সা.) অতি দীর্ঘদেহী ছিলেন না, আবার বেঁটেও ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন মধ্যম গড়নের। তার মাথার চুল বেশি কোঁকড়ানো ছিল না এবং সম্পূর্ণ সোজাও ছিল না; বরং সামান্য কোঁকড়ানো ভাব ছিল। তার দেহ মোবারক তত মোটা ছিল না। আর চেহারা মোবারক সম্পূর্ণ গোলাকার ছিল না, তবে কিছুটা গোলাকার ছিল।
গায়ের রং ছিল লাল-সাদা সংমিশ্রিত। চোখের বর্ণ ছিল কালো এবং পলক ছিল লম্বা ও চিকন। হাড়ের জোড়াগুলো ছিল মোটা। পুরো দেহ মোবারক ছিল পশমহীন, অবশ্য পশমের চিকন একটি রেখা বুক থেকে নাভি পর্যন্ত লম্বা ছিল। দুই হাত ও দুই পায়ের তালু ছিল মাংসে পরিপূর্ণ।
যখন তিনি হাঁটতেন, তখন পা পূর্ণভাবে উঠিয়ে মাটিতে রাখতেন, যেন তিনি কোনো উঁচু জায়গা থেকে নিচের দিকে নামছেন। যখন তিনি কারও দিকে তাকাতেন, পরিপূর্ণভাবে মনোনিবেশ করতেন। উভয় কাঁধের মাঝখানে ছিল মোহরে নবুওয়াত।
তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে অধিক দানশীল, সবচেয়ে বেশি সত্যবাদী। তিনি ছিলেন সবচেয়ে কোমল স্বভাবের এবং বংশের দিক থেকে সম্ভ্রান্ত ও মর্যাদার অধিকারী।
যে ব্যক্তি তাকে হঠাৎ দেখত, সে ভয় পেয়ে যেত (গাম্ভীর্যের কারণে)। পক্ষান্তরে, যে ব্যক্তি পরিচিত হয়ে তার সঙ্গে মিশত, সে তাকে অনেক ভালোবেসে ফেলত। তার সম্পর্কে আলোচনাকারী এ কথা বলত যে, আমি তার আগে ও পরে তার মতো সৌন্দর্যময় কাউকে দেখিনি।’ (শামায়েলে তিরমিজি: ৭)
লেখক: জামিয়া মিফতাহুল উলুম, নেত্রকোনা