জাপানে দীর্ঘদিন ধরেই কমিটি নেই যুবদলের। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের পর নতুন করে কমিটির পাবার আশায় বুক বেঁধেছে জাপান যুবদল।
জাপান যুবদলের সবশেষ কমিটি ছিলো ১৯৯৪ সালে। হাসিনা বিরোধী আন্দোলন ছাড়াও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনেও প্রবাসে সক্রিয় ছিলো বিএনপির শক্তিশালী অংঙ্গসংগঠন জাপান যুবদল। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের পুরো সময় ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও জাপানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে জাপান যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা।
রোববার (১ নভেম্বর) টোকিওর হোটেল হোকুতোপিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের আলোচনা সভায় গুরুত্ব পায় নতুন কমিটির দাবি। কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, জাপান যুবদলের সংগঠক কাজী সাদেকুল হায়দার বাবলু। প্রধান অতিথি ছিলেন জাপান বিএনপির সভাপতি মীর রেজাউল করিম রেজা। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান বিএনপি সিনিয়র সহসভাপতি আলমগীর হোসেন মিঠু ও জাপান বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবুল খায়ের, জাপান বিএনপির সহ সংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম তারেক প্রমূখসহ অনেকে।
এ সময় জাপান বিএনপির সভাপতি মীর রেজাউল করিম রেজা বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে জাপান যুবদলের ভূমিকা অতুলনীয়। দীর্ঘদিন ধরে যুবদলের কমিটি না থাকায় যুবদল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, অতিশীগ্রই কেন্দ্রীয় যুবদলের সাথে সমন্বয় করে জাপান যুবদলের কমিটি দেয়া হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জাপান যুবদলের সংগঠক কাজী সাদেকুল হায়দার বাবলু যুবদলের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে জাপান যুবদলের ভূমিকা ও ত্যাগের কথা তুলে ধরে দ্রুত জাপানে যুবদলের কমিটি দেয়ার আহ্বান জানান।
সভায় বক্তারা যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার পটভূমি এবং ৪৮ বছরের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক পথচলা তুলে ধরেন। তাঁরা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে যুবদলের নেতাকর্মীদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করেন।
বক্তারা গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মানবাধিকার, সুশাসন ও জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁরা বলেন, যুবসমাজের ঐক্য, রাজনৈতিক সচেতনতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং দারিদ্র্য বিমোচন ও মাদক নির্মূলে গৃহীত পদক্ষেপের প্রসঙ্গও উঠে আসে। বক্তারা জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তারা ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুসারীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও রাজনৈতিক অপতৎপরতার অভিযোগ তুলে এসব মোকাবিলায় সাংগঠনিক ঐক্য ও সতর্কতার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক ও আইনসম্মত পন্থায় সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।
তারা বলেন, প্রবাসে অবস্থান করলেও বাংলাদেশের গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও জাতীয় উন্নয়নের প্রশ্নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দায়িত্ব রয়েছে। নতুন প্রজন্মের প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা। আলোচনা শেষে কেক কেটে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠান সফল করতে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ, নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ জানান আয়োজকেরা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি বিএনপির অন্যতম সহযোগী সংগঠন হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।
জাপান যুবদলের সবশেষ কমিটি ছিলো ১৯৯৪ সালে। হাসিনা বিরোধী আন্দোলন ছাড়াও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনেও প্রবাসে সক্রিয় ছিলো বিএনপির শক্তিশালী অংঙ্গসংগঠন জাপান যুবদল। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের পুরো সময় ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও জাপানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে জাপান যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা।
রোববার (১ নভেম্বর) টোকিওর হোটেল হোকুতোপিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের আলোচনা সভায় গুরুত্ব পায় নতুন কমিটির দাবি। কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, জাপান যুবদলের সংগঠক কাজী সাদেকুল হায়দার বাবলু। প্রধান অতিথি ছিলেন জাপান বিএনপির সভাপতি মীর রেজাউল করিম রেজা। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান বিএনপি সিনিয়র সহসভাপতি আলমগীর হোসেন মিঠু ও জাপান বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবুল খায়ের, জাপান বিএনপির সহ সংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম তারেক প্রমূখসহ অনেকে।
এ সময় জাপান বিএনপির সভাপতি মীর রেজাউল করিম রেজা বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে জাপান যুবদলের ভূমিকা অতুলনীয়। দীর্ঘদিন ধরে যুবদলের কমিটি না থাকায় যুবদল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, অতিশীগ্রই কেন্দ্রীয় যুবদলের সাথে সমন্বয় করে জাপান যুবদলের কমিটি দেয়া হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জাপান যুবদলের সংগঠক কাজী সাদেকুল হায়দার বাবলু যুবদলের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে জাপান যুবদলের ভূমিকা ও ত্যাগের কথা তুলে ধরে দ্রুত জাপানে যুবদলের কমিটি দেয়ার আহ্বান জানান।
সভায় বক্তারা যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার পটভূমি এবং ৪৮ বছরের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক পথচলা তুলে ধরেন। তাঁরা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে যুবদলের নেতাকর্মীদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করেন।
বক্তারা গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মানবাধিকার, সুশাসন ও জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁরা বলেন, যুবসমাজের ঐক্য, রাজনৈতিক সচেতনতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং দারিদ্র্য বিমোচন ও মাদক নির্মূলে গৃহীত পদক্ষেপের প্রসঙ্গও উঠে আসে। বক্তারা জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তারা ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুসারীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও রাজনৈতিক অপতৎপরতার অভিযোগ তুলে এসব মোকাবিলায় সাংগঠনিক ঐক্য ও সতর্কতার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক ও আইনসম্মত পন্থায় সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।
তারা বলেন, প্রবাসে অবস্থান করলেও বাংলাদেশের গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও জাতীয় উন্নয়নের প্রশ্নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দায়িত্ব রয়েছে। নতুন প্রজন্মের প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা। আলোচনা শেষে কেক কেটে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠান সফল করতে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ, নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ জানান আয়োজকেরা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি বিএনপির অন্যতম সহযোগী সংগঠন হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।