ইউনাইটেড সিটি, মাদানী এভিনিউ এ অবস্থিত ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ৩০ মিনিটের মধ্যে একই ছাদের নিচে হৃদরোগের সমন্বিত চিকিৎসা দিচ্ছে।
একটি সুদৃঢ় ও কার্যকর চিকিৎসা ব্যবস্থা কয়েকটি স্তম্ভ বা পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুযায়ী এই পিলারগুলো হলো, স্বাস্থ্যসেবাকে সহজলভ্য করে দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছানো, কম খরচে নিরাপদ ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা, পর্যাপ্ত সংখ্যক ডাক্তার, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী থাকা, কর্মীদের নিয়মিত আধুনিক চিকিৎসার ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া ও তাদের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা, রোগের প্রাদুর্ভাব, চিকিৎসার মান এবং হাসপাতালের রেকর্ড সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা, মানসম্মত ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সবার জন্য সহজলভ্য করা। রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য আধুনিক মেডিকেল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, স্বাস্থ্য খাতের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ , চিকিৎসা খরচ মেটাতে গিয়ে যেন কোনো সাধারণ মানুষ দরিদ্র না হয়ে পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখা, কার্যকর স্বাস্থ্য নীতিমালা তৈরি এবং তা বাস্তবায়ন করা, চিকিৎসা খাতে দুর্নীতি রোধ ও সেবার মান পর্যবেক্ষণ করা।
প্রত্যেকটি উন্নত দেশে এই স্তম্ভগুলো খুব ভালোভাবেই অনুসরণ করা হয়। বাংলাদেশে এই নীতিমালা গুলো মানার কথা বলা হলেও সব হাসপাতালে মানার চিত্র দেখা যায় না, যেসব হাসপাতালে এই নীতিমালাগুলো অনুসরণ করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল। হাসপাতালটির যাত্রা খুব বেশিদিন না হওয়া স্বত্বেও উন্নত চিকিৎসার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েই তারা যাত্রা আরম্ভ করে।
হাসপাতালটির প্রত্যেকটি বিভাগের জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা ব্যবস্থাপনা বিভাগ। এই ব্যবস্থাপনা বিভাগ ডাক্তার, নার্স, টেকশিয়ানসহ পেশাদার সব কর্মচারী-কর্মকতার মাধ্যমে নিশ্চিত করে একটি যোগ্য ও দক্ষ মেডিকেল টিম, যে টিমের কাজ হলো রোগীরকে সর্বোচ্চটা দিয়ে সেবা দেওয়া।
ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটালের অনেক গুলো বিভাগের মধ্যে একটি হলো কার্ডিওলজি বিভাগ। যে বিভাগটিকে সাজানো হয়েছে বিশেষভাবে, কার্ডিয়াক রোগের সকল ধরনের সার্জারি গুলো বিশ্বের বেস্ট মেশিন দিয়ে তারা করায়। ইনটেনসিভ কেয়ারসহ যত ধরনের আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি আছে মোটামুটি সব তারা রেখেছে এবং এই হাসপাতালের অন্যতম বিশেষ দিক হলো রোগীর জন্য একই ছাদের নিচে তারা সকল সেবা রেখেছে। অনেক সময় দেখা হয় এক বিভাগের রোগী অন্য বিভাগে গিয়ে আনুষঙ্গিক টেস্ট বা সেবা নিতে হয়, কিন্তু তারা রোগীর বিড়ম্বনা যাতে না হয় এই বিবেচনায় এবং সঠিক সেবাটা নিশ্চিত করতে সবকিছু সমন্বিতভাবে এক ছাদের নিচে রেখেছে।
প্রত্যেকটা রোগের জন্যই সময় গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কার্ডিয়াক রোগের ক্ষেত্রে। সেক্ষেত্রে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল রেখেছে ২৪ ঘন্টা সেবা। রোগীকে যত দ্রুত চিকিৎসা সেবার আওতায় আনা যায় এজন্য হাসপাতালটি রেখেছে কার্ডিয়াক অ্যাম্বুলেন্স, এবং এই অ্যাম্বুলেন্সে থেকেই রোগীর চিকিৎসা শুরু হয়, যার জন্য থাকে যোগ্য একটি মেডিকেল টিম।
এরপর রোগীকে হাসপাতালে আনার পর যাবতীয় প্রসেস শেষ করে মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই রোগীর চিকিৎসা শুরু হয় যেটা বিশ্বে সময় বিবেচনায় খুব একটা দেখা যায় না। এছাড়াও বাংলাদেশেও অন্যান্য হাসপাতালের তুলনায় সময় বিবেচনা এবং উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করে সফলতার স্বাক্ষর রেখে চলছে।
একটি সুদৃঢ় ও কার্যকর চিকিৎসা ব্যবস্থা কয়েকটি স্তম্ভ বা পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুযায়ী এই পিলারগুলো হলো, স্বাস্থ্যসেবাকে সহজলভ্য করে দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছানো, কম খরচে নিরাপদ ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা, পর্যাপ্ত সংখ্যক ডাক্তার, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী থাকা, কর্মীদের নিয়মিত আধুনিক চিকিৎসার ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া ও তাদের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা, রোগের প্রাদুর্ভাব, চিকিৎসার মান এবং হাসপাতালের রেকর্ড সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা, মানসম্মত ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সবার জন্য সহজলভ্য করা। রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য আধুনিক মেডিকেল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, স্বাস্থ্য খাতের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ , চিকিৎসা খরচ মেটাতে গিয়ে যেন কোনো সাধারণ মানুষ দরিদ্র না হয়ে পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখা, কার্যকর স্বাস্থ্য নীতিমালা তৈরি এবং তা বাস্তবায়ন করা, চিকিৎসা খাতে দুর্নীতি রোধ ও সেবার মান পর্যবেক্ষণ করা।
প্রত্যেকটি উন্নত দেশে এই স্তম্ভগুলো খুব ভালোভাবেই অনুসরণ করা হয়। বাংলাদেশে এই নীতিমালা গুলো মানার কথা বলা হলেও সব হাসপাতালে মানার চিত্র দেখা যায় না, যেসব হাসপাতালে এই নীতিমালাগুলো অনুসরণ করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল। হাসপাতালটির যাত্রা খুব বেশিদিন না হওয়া স্বত্বেও উন্নত চিকিৎসার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েই তারা যাত্রা আরম্ভ করে।
হাসপাতালটির প্রত্যেকটি বিভাগের জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা ব্যবস্থাপনা বিভাগ। এই ব্যবস্থাপনা বিভাগ ডাক্তার, নার্স, টেকশিয়ানসহ পেশাদার সব কর্মচারী-কর্মকতার মাধ্যমে নিশ্চিত করে একটি যোগ্য ও দক্ষ মেডিকেল টিম, যে টিমের কাজ হলো রোগীরকে সর্বোচ্চটা দিয়ে সেবা দেওয়া।
ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটালের অনেক গুলো বিভাগের মধ্যে একটি হলো কার্ডিওলজি বিভাগ। যে বিভাগটিকে সাজানো হয়েছে বিশেষভাবে, কার্ডিয়াক রোগের সকল ধরনের সার্জারি গুলো বিশ্বের বেস্ট মেশিন দিয়ে তারা করায়। ইনটেনসিভ কেয়ারসহ যত ধরনের আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি আছে মোটামুটি সব তারা রেখেছে এবং এই হাসপাতালের অন্যতম বিশেষ দিক হলো রোগীর জন্য একই ছাদের নিচে তারা সকল সেবা রেখেছে। অনেক সময় দেখা হয় এক বিভাগের রোগী অন্য বিভাগে গিয়ে আনুষঙ্গিক টেস্ট বা সেবা নিতে হয়, কিন্তু তারা রোগীর বিড়ম্বনা যাতে না হয় এই বিবেচনায় এবং সঠিক সেবাটা নিশ্চিত করতে সবকিছু সমন্বিতভাবে এক ছাদের নিচে রেখেছে।
প্রত্যেকটা রোগের জন্যই সময় গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কার্ডিয়াক রোগের ক্ষেত্রে। সেক্ষেত্রে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল রেখেছে ২৪ ঘন্টা সেবা। রোগীকে যত দ্রুত চিকিৎসা সেবার আওতায় আনা যায় এজন্য হাসপাতালটি রেখেছে কার্ডিয়াক অ্যাম্বুলেন্স, এবং এই অ্যাম্বুলেন্সে থেকেই রোগীর চিকিৎসা শুরু হয়, যার জন্য থাকে যোগ্য একটি মেডিকেল টিম।
এরপর রোগীকে হাসপাতালে আনার পর যাবতীয় প্রসেস শেষ করে মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই রোগীর চিকিৎসা শুরু হয় যেটা বিশ্বে সময় বিবেচনায় খুব একটা দেখা যায় না। এছাড়াও বাংলাদেশেও অন্যান্য হাসপাতালের তুলনায় সময় বিবেচনা এবং উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করে সফলতার স্বাক্ষর রেখে চলছে।