জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র সেতুর টোলপ্লাজায় টোল দিতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে এক গণমাধ্যমকর্মীর ছেলেকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে টোল আদায়ের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে জামালপুর-শেরপুর সড়ক অবরোধ করেছেন ভুক্তভোগীর স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও স্থানীয় লোকজন। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়, ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১০টা দিকে প্রথমে জামালপুর শহরের বন্দেরবাড়ী এলাকায় এবং পরে ব্রহ্মপুত্র সেতুর জামালপুর অংশের টোলপ্লাজার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছিল। ভুক্তভোগী সাদিকুর রহমান সুমন ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকার জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল ইসলামের ছেলে।

সুমনের অভিযোগ, বিকেলে তিনি তার বাবার প্রেসের স্টিকার লাগানো মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হন। ব্রহ্মপুত্র সেতুর টোলপ্লাজায় পৌঁছে মোটরসাইকেলটি পাশে রেখে পাঁচ টাকা টোল দিতে দেরি হয় তার। এ সময় টোল আদায়ের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা তাকে মারধর করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে কয়েকজন সাংবাদিক টোলপ্লাজায় গিয়ে বিষয়টি জানতে চান। এ সময় তাদের ওপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হলে শহিদুল ইসলাম তুফান নামে এক সাংবাদিক আহত হন বলে জানা গেছে। পরে খবর পেয়ে সুমনের স্বজন ও বন্ধুরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা ঘটনার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করেন। এতে জামালপুর-শেরপুর সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

এ বিষয়ে শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকের ছেলে কিংবা অন্য কেউ এখন পর্যন্ত আমাকে বিষয়টি জানাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়ক অবরোধের ঘটনাটি জামালপুর অংশে হওয়ায় জামালপুরের পুলিশও বিষয়টি দেখবে বলে জানান তিনি।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) নাজমুল জান্নাত শাহ বলেন, আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।