ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে শরিয়ত উল্লাহকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এ বিষয়ে ডেথ রেফারেন্স খারিজ ও আসামির আপিল মঞ্জুর করে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, পছন্দের পাত্রীকে বিয়ে করাতে রাজি না হওয়ায় গত ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ মধ্য রাতে গফরগাঁওয়ের ডুবাইল গ্রামের নিজ বাড়িতে বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আহত করে ছেলে শরিয়ত উল্লাহ। এ সময় বাধা দেওয়ায় মা নাসিমা খাতুনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত বাবা-মাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৪ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ মারা যান। পরের দিন ১৫ মার্চ নিহতের আরেক ছেলে সাদিকুল্লাহ গফরগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শরিয়ত উল্লাহকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পরে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। একইসঙ্গে আসামি আপিল করেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক খান ফরিদ জানান, মামলাটি ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ বিচার শেষে শুধু স্বীকারোক্তির ওপর ভিত্তি করে ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। আসামি সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট আপিল করেন। আপিলটি শুনানি শেষে খালাস দেন।
তিনি বলেন, আসামির স্বীকারোক্তিটি সত্য ও স্বেচ্ছায় প্রণোদিত না হওয়ায় এবং স্বীকারোক্তির সঙ্গে পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যর গরমিল থাকায় আসামি খালাস পান। সাক্ষ্য প্রমাণে দেখা যায় যে, আসামির চাচা ও চাচাতো ভাইদের সঙ্গে পারিবারিক শত্রুতার কারণে আসামিকে সেই মামলায় জড়িত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ডেথ রেফারেন্স খারিজ ও আসামির আপিল মঞ্জুর করে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, পছন্দের পাত্রীকে বিয়ে করাতে রাজি না হওয়ায় গত ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ মধ্য রাতে গফরগাঁওয়ের ডুবাইল গ্রামের নিজ বাড়িতে বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আহত করে ছেলে শরিয়ত উল্লাহ। এ সময় বাধা দেওয়ায় মা নাসিমা খাতুনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত বাবা-মাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৪ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ মারা যান। পরের দিন ১৫ মার্চ নিহতের আরেক ছেলে সাদিকুল্লাহ গফরগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শরিয়ত উল্লাহকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পরে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। একইসঙ্গে আসামি আপিল করেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক খান ফরিদ জানান, মামলাটি ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ বিচার শেষে শুধু স্বীকারোক্তির ওপর ভিত্তি করে ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। আসামি সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট আপিল করেন। আপিলটি শুনানি শেষে খালাস দেন।
তিনি বলেন, আসামির স্বীকারোক্তিটি সত্য ও স্বেচ্ছায় প্রণোদিত না হওয়ায় এবং স্বীকারোক্তির সঙ্গে পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যর গরমিল থাকায় আসামি খালাস পান। সাক্ষ্য প্রমাণে দেখা যায় যে, আসামির চাচা ও চাচাতো ভাইদের সঙ্গে পারিবারিক শত্রুতার কারণে আসামিকে সেই মামলায় জড়িত করা হয়েছে।