রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ধলপুর সিটি গলির পাশে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মারুফ হোসেন ওরফে দুখু (১৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে এখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত মারুফ ধলপুর এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে ছিল। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে মারুফ ছিল সবার ছোট। তিনি এক বছর আগে মিম নামের এক মেয়েকে বিয়ে করেন।
নিহত মারুফ ওরফে দুখুর স্ত্রী মিম জানান, আমার স্বামী সায়দাবাদ মালঞ্চ সেন্টারের পাশে একটি গলিতে পাতিল ফ্যাক্টরিতে কাজ করে। সন্ধ্যায় কাজ থেকে ফিরে বাসার পাশেই সিটি পল্লীর মাঠে দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে এখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার স্বামীকে মৃত ঘোষণা করেন।
কান্না জড়িত কন্ঠে মিম জানান, আমার স্বামী অনেক ভালো ছেলে সে কারো সাথে কোন দ্বন্দ্ব বা ঝামেলায় জড়ায় না। কারা কি কারণে আমার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করল সে বিষয়টি বলতে পারছি না।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশকে জানিয়েছি।
পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে এখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত মারুফ ধলপুর এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে ছিল। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে মারুফ ছিল সবার ছোট। তিনি এক বছর আগে মিম নামের এক মেয়েকে বিয়ে করেন।
নিহত মারুফ ওরফে দুখুর স্ত্রী মিম জানান, আমার স্বামী সায়দাবাদ মালঞ্চ সেন্টারের পাশে একটি গলিতে পাতিল ফ্যাক্টরিতে কাজ করে। সন্ধ্যায় কাজ থেকে ফিরে বাসার পাশেই সিটি পল্লীর মাঠে দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে এখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার স্বামীকে মৃত ঘোষণা করেন।
কান্না জড়িত কন্ঠে মিম জানান, আমার স্বামী অনেক ভালো ছেলে সে কারো সাথে কোন দ্বন্দ্ব বা ঝামেলায় জড়ায় না। কারা কি কারণে আমার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করল সে বিষয়টি বলতে পারছি না।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশকে জানিয়েছি।